1/21
এই ফ্ল্যাশকার্ডগুলো ভাষা সংজ্ঞা, বাংলা ভাষার উদ্ভব, ইতিহাস এবং এর বিবর্তনের বিভিন্ন পর্যায় সম্পর্কিত।
Name | Mastery | Learn | Test | Matching | Spaced | Call with Kai |
|---|
No analytics yet
Send a link to your students to track their progress
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এর মতে ভাষা
মানবজাতি যে ধ্বনি বা ধ্বনিসকল দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম ভাষা।
অ্যারিস্টটল (Aristotle) এর মতে ভাষা
"Speech is the representation of the experience of the mind".
নোয়াম চমস্কি (Noam Chomsky) এর মতে ভাষা
Organ of the mind.
ফার্দিনান্দ ডি সসুর (Ferdinand de Saussure) এর মতে ভাষা
A system of arbitrary signs.
ড্যানিয়েল এভারেট (Daniel Everett) এর মতে ভাষা
The ultimate technology এবং স্থান ও সময়ের সীমানা পেরিয়ে জটিল জ্ঞান হস্তান্তরের একটি হাতিয়ার।
ভাষার স্বেচ্ছাচারিতা (Arbitrary)
ভাষা সৃষ্টির পর থেকে শুধুমাত্র নিজের হয়ে কথা বলে এবং সবসময় আমাদের সাথে খেলে (play)।
বাংলা ভাষার বংশ
বাংলা ভাষার উদ্ভব ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশ থেকে হয়েছে।
বাংলা ভাষার প্রধান উৎস
অধিকাংশ ভাষাবিদ মাগধী প্রাকৃত ও গৌড়ীয় অপভ্রংশকে বাংলা ভাষার উৎস হিসেবে গুরুত্ব দেন।
আধুনিক মানুষের বিবর্তন
আফ্রিকায় প্রায় 300,000 বছর পূর্বে।
ভাষা সৃষ্টির প্রয়োজনীয় অঙ্গের বিকাশ
প্রায় 100,000 বছর পূর্বে।
প্রটো-ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার বিস্তার
4000−1000 বছর আগে মধ্য এশীয় জনগোষ্ঠী পশ্চিম ও পূর্বে ছিড়িয়ে পড়ার মাধ্যমে বিভিন্ন শাখা সৃষ্টি করে।
ইন্দো-আর্য (ভারতীয় আর্য) ভাষার শাখা
এটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের ইন্দো-ইরানীয় শাখার একটি প্রশাখা।
ইন্দো-আর্যদের ভারতে আগমন
সিন্ধু সভ্যতার শেষ দিকে, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব 17 শতকে।
ঋগ্বেদ
ইন্দো-আর্য ভাষার আদি নিদর্শন, যা 15 শতকে রচিত।
সংস্কৃত
আর্য ভাষার প্রমিত উপভাষা যার প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় রামায়ণে।
পাণিনি
খ্রিস্টপূর্ব 6−5 শতকে তৎকালীন শিষ্টদের ব্যবহৃত ইন্দো-আর্য ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন।
পাণিনির দৃষ্টিতে 'ভাষা' ও 'উপভাষা'
পাণিনি শিষ্টদের প্রমিত উপভাষাকে 'ভাষা' এবং আর্য ভাষার অন্যান্য অংশকে 'উপভাষা' হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
প্রাচীন প্রাকৃত
ইন্দো-আর্যরা ভারতে আসার পর প্রমিত ভাষার পাশাপাশি যে সাধারণ অপ্রমিত ভাষায় কথা বলত।
প্রাকৃতের উপভাষাগুলো
খ্রিস্টপূর্ব 5 শতকের দিকে সৃজনশীল ও ধর্মীয় সাহিত্যে ব্যবহৃত পালি, শৌরসেনী, মহারাষ্ট্রী ও মাগধী প্রাকৃত।
অপভ্রংশ
কালক্রমে প্রাকৃত ভাষাগুলোর পরিবর্তিত রূপ।
অবহট্/অবহট্ঠ
৬ষ্ঠ শতকে অপভ্রংশের পরিবর্তিত নাম।
বঙ্গকামরূপী
যে উপশাখা থেকে সরাসরি প্রাকৃত, অসমিয়া, বাংলা ও উড়িয়া ভাষার উদ্ভব হয়েছে।