University Physics: Vector Analysis and Vector Calculus Complete Study Notes ক্যালকুলাস ও ভেক্টর রাশির মৌলিক ধারণা ক্যালকুলাসের উৎপত্তি: ক্যালকুলাস শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'Calculus' থেকে এসেছে যার অর্থ গণনার জন্য ক্ষুদ্র পাথর।উদ্ভাবক: বিজ্ঞানী নিউটন সর্বপ্রথম তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে ডিফারেন্সিয়াল ক্যালকুলাস প্রয়োগ করেন।প্রধান শাখা: ক্যালকুলাসের দুটি প্রধান শাখা হলো: ডিফারেন্সিয়াল ক্যালকুলাস (বেগ, ত্বরণ, বক্ররেখার ঢাল নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়)। ইন্টিগ্রাল ক্যালকুলাস (ক্ষেত্রফল, আয়তন, কাজ, চাপ ও ভরকেন্দ্র নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়)। ধ্রুবক (Constant): গাণিতিক প্রক্রিয়ার সময় যে সকল রাশির মান অপরিবর্তিত থাকে, যেমন- সব স্বাভাবিক সংখ্যা, p i \\pi p i , e e e ইত্যাদি। চলরাশি (Variable): যে সকল রাশির মান গাণিতিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হতে পারে, যেমন- x , y , z , u , v , w x, y, z, u, v, w x , y , z , u , v , w ইত্যাদি। অপারেটর (Operator): যে গাণিতিক প্রকাশ বা চিহ্নের দ্বারা একটি রাশিকে অন্য রাশিতে রূপান্তর করা যায়। অপারেটরের নিজস্ব কোনো মান নেই, তবে এটি অন্য রাশির সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট মান বহন করে (যেমন: বর্গ, ঘন, বর্গমূল, s i n e sine s in e , l o g \\log l o g , i n t \\int in t ইত্যাদি)।ভেক্টর রাশির শ্রেণিবিভাগ ও বৈশিষ্ট্য স্কেলার রাশি (Scalar Quantity): যে সকল ভৌত রাশির শুধু মান আছে কিন্তু দিক নেই। যেমন: দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, জনসংখ্যা, বৈদ্যুতিক বিভব, দ্রুতি, কাজ, আয়তন, ঘনত্ব, দূরত্ব, শক্তি, বৈদ্যুতিক আধান, পীড়ন, বিকৃতি, স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্ক।ভেক্টর রাশি (Vector Quantity): যে সকল ভৌত রাশির মান ও দিক উভয়ই আছে। যেমন: সরণ, বেগ, ত্বরণ, বল, ভরবেগ, টর্ক, কৌণিক ভরবেগ, প্রাবল্য (সব ধরনের), ওজন, চৌম্বক ভ্রামক, পৃষ্ঠটান। মনে রাখার ছন্দ (ভেক্টর রাশি): "ভবে সব প্রিয়তম ভাসে প্রেমে"। ভ = ভরবেগ; বে = বেগ; স = সরণ; ব = বল; প্রিয় = প্রাবল্য; ত = ত্বরণ; ম = মন্দন; ভাসে = ভ্রামক; প্রেমে = পৃষ্ঠটান। বিশেষ নোট: সকল প্রকারের 'প্রাবল্য' ও 'ভ্রামক' ভেক্টর রাশি; তবে ব্যতিক্রম হলো 'জড়তার ভ্রামক', এটি একটি স্কেলার রাশি। ভেক্টর রাশির প্রকাশ: অক্ষরে প্রকাশের ৪টি পদ্ধতি রয়েছে- অক্ষরের ওপর তীর চিহ্ন দিয়ে: m a t h b f v e c A \\mathbf{\\vec{A}} ma t hb f v ec A অক্ষরের ওপর রেখা দিয়ে: o v e r l i n e A \\overline{A} o v er l in e A অক্ষরের নিচে রেখা দিয়ে: u n d e r l i n e A \\underline{A} u n d er l in e A মোটা হরফের অক্ষর দিয়ে: A বিশেষ ভেক্টরসমূহ: একক ভেক্টর: যে ভেক্টরের মান এক একক। একে টুপী চিহ্ন (h a t i , h a t j , h a t k \\hat{i}, \\hat{j}, \\hat{k} ha t i , ha t j , ha t k ) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। h a t n = f r a c m a t h b f A ∣ m a t h b f A ∣ \\hat{n} = \\frac{\\mathbf{A}}{|\\mathbf{A}|} ha t n = f r a c ma t hb f A ∣ ma t hb f A ∣ নাল বা শূন্য ভেক্টর: যে ভেক্টরের মান শূন্য। এর পাদবিন্দু ও শীর্ষবিন্দু একই। অবস্থান ভেক্টর: প্রসঙ্গ কাঠামোর মূলবিন্দুর সাপেক্ষে কোনো বিন্দুর অবস্থান যে ভেক্টর দ্বারা নির্ণয় করা হয়। একে ব্যাসার্ধ ভেক্টরও বলা হয় (m a t h b f r \\mathbf{r} ma t hb f r )। বিপ্রতীপ ভেক্টর: দুটি সমান্তরাল ভেক্টরের একটির মান অপরটির গুণাত্মক বিপরীত হলে। যেমন: m a t h b f A = 7 h a t i \\mathbf{A} = 7\\hat{i} ma t hb f A = 7 ha t i এবং m a t h b f B = f r a c 17 h a t i \\mathbf{B} = \\frac{1}{7}\\hat{i} ma t hb f B = f r a c 1 7 ha t i অক্ষীয় ভেক্টর: বস্তুর ঘূর্ণনের সাথে যুক্ত ভেক্টর (যেমন: কৌণিক বেগ, কৌণিক ত্বরণ)।মেরু ভেক্টর: ঘূর্ণনের সাথে যুক্ত নয় এমন ভেক্টর (যেমন: বল, সরণ, বেগ)।ভেক্টর অপারেটর: গ্রেডিয়েন্ট, ডাইভারজেন্স ও কার্ল ভেক্টর ডিফারেন্সিয়াল অপারেটর (n a b l a \\nabla nab l a ): একে 'নাবলা' বা 'ডেল' বলা হয়। বিজ্ঞানী হ্যামিল্টন এটি আবিষ্কার করেন এবং গিবস এর নামকরণ করেন। n a b l a = f r a c d e l t a d e l t a x h a t i + f r a c d e l t a d e l t a y h a t j + f r a c d e l t a d e l t a z h a t k \\nabla = \\frac{\\delta}{\\delta x}\\hat{i} + \\frac{\\delta}{\\delta y}\\hat{j} + \\frac{\\delta}{\\delta z}\\hat{k} nab l a = f r a c d e l t a d e l t a x ha t i + f r a c d e l t a d e l t a y ha t j + f r a c d e l t a d e l t a z ha t k গ্রেডিয়েন্ট (Gradient): এটি একটি স্কেলার রাশিকে ভেক্টর রাশিতে রূপান্তর করে। এটি স্কেলার ফাংশনের সর্বোচ্চ পরিবর্তনের হার অর্থাৎ ঢাল নির্দেশ করে। G r a d ( A ) = n a b l a A Grad(A) = \\nabla A G r a d ( A ) = nab l a A ডাইভারজেন্স (Divergence): এটি একটি ভেক্টর রাশিকে স্কেলার রাশিতে রূপান্তর করে। এর মাধ্যমে কোনো একক আয়তনে ফ্লাক্সের প্রকৃতি জানা যায়। d i v ( m a t h b f E ) = n a b l a c d o t m a t h b f v e c E div(\\mathbf{E}) = \\nabla \\cdot \\mathbf{\\vec{E}} d i v ( ma t hb f E ) = nab l a c d o t ma t hb f v ec E n a b l a c d o t m a t h b f A = 0 \\nabla \\cdot \\mathbf{A} = 0 nab l a c d o t ma t hb f A = 0 হলে ভেক্টরটি সলিনয়ডাল (Solenoidal) হয়। মান ধনাত্মক হলে ঘনত্ব হ্রাস পায় (উৎস/Source), ঋণাত্মক হলে ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় (সিঙ্ক/Sink)। কার্ল (Curl): এটি একটি ভেক্টর রাশিকে ভেক্টর রাশিতেই রূপান্তর করে। এর মাধ্যমে ভেক্টরের ঘূর্ণনশীলতা জানা যায়। C u r l ( m a t h b f A ) = n a b l a t i m e s m a t h b f v e c A Curl(\\mathbf{A}) = \\nabla \\times \\mathbf{\\vec{A}} C u r l ( ma t hb f A ) = nab l a t im es ma t hb f v ec A n a b l a t i m e s m a t h b f A = 0 \\nabla \\times \\mathbf{A} = 0 nab l a t im es ma t hb f A = 0 হলে ভেক্টরটি অঘূর্ণনশীল এবং সংরক্ষণশীল। n a b l a t i m e s m a t h b f v = 2 m a t h b f o m e g a \\nabla \\times \\mathbf{v} = 2\\mathbf{\\omega} nab l a t im es ma t hb f v = 2 ma t hb f o m e g a (রৈখিক বেগের কার্ল কৌণিক বেগের দ্বিগুণ)। ভেক্টরের যোগফল ও লব্ধি নির্ণয় জ্যামিতিক পদ্ধতি: ভেক্টর যোগের ৫টি সূত্র আছে- সাধারণ সূত্র, ত্রিভুজ সূত্র, বহুভুজ সূত্র, সামান্তরিক সূত্র এবং উপাংশ সূত্র। সামান্তরিক সূত্র: লব্ধির মান R = s q r t P 2 + Q 2 + 2 P Q c o s ( a l p h a ) R = \\sqrt{P^2 + Q^2 + 2PQ\\cos(\\alpha)} R = s q r t P 2 + Q 2 + 2 P Q cos ( a l p ha ) লব্ধির দিক: t a n ( t h e t a ) = f r a c Q s i n ( a l p h a ) P + Q c o s ( a l p h a ) \\tan(\\theta) = \\frac{Q\\sin(\\alpha)}{P + Q\\cos(\\alpha)} t an ( t h e t a ) = f r a c Q s in ( a l p ha ) P + Q cos ( a l p ha ) বিশেষ ক্ষেত্র: \\alpha = 0^\\circ হলে, লব্ধি সর্বোচ্চ (R m a x = P + Q R_{max} = P + Q R ma x = P + Q )। \\alpha = 180^\\circ হলে, লব্ধি সর্বনিম্ন (R m i n = ∣ P − Q ∣ R_{min} = |P - Q| R min = ∣ P − Q ∣ )। \\alpha = 90^\\circ হলে, R = s q r t P 2 + Q 2 R = \\sqrt{P^2 + Q^2} R = s q r t P 2 + Q 2 দুটি সমমানের ভেক্টরের লব্ধি তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। যদি P = Q = R P=Q=R P = Q = R হয়, তবে কোণ \\alpha = 120^\\circ। ভেক্টর গুণন (ডট ও ক্রস গুণফল) স্কেলার বা ডট গুণন: A ⋅ B = A B cos ( θ ) \mathbf{A} \cdot \mathbf{B} = AB \cos(\theta) A ⋅ B = A B cos ( θ ) বিনিময় সূত্র মেনে চলে (A ⋅ B = B ⋅ A \mathbf{A} \cdot \mathbf{B} = \mathbf{B} \cdot \mathbf{A} A ⋅ B = B ⋅ A )। লম্ব অভিক্ষেপ: A A A এর ওপর B B B এর অভিক্ষেপ = B cos ( θ ) = A ⋅ B ∣ A ∣ B \cos(\theta) = \frac{\mathbf{A} \cdot \mathbf{B}}{|\mathbf{A}|} B cos ( θ ) = ∣ A ∣ A ⋅ B পরস্পর লম্ব হওয়ার শর্ত: A ⋅ B = 0 \mathbf{A} \cdot \mathbf{B} = 0 A ⋅ B = 0 ভেক্টর বা ক্রস গুণন: A × B = n ^ A B sin ( θ ) \mathbf{A} \times \mathbf{B} = \hat{n}AB \sin(\theta) A × B = n ^ A B sin ( θ ) বিনিময় সূত্র মেনে চলে না (A × B = − B × A \mathbf{A} \times \mathbf{B} = -\mathbf{B} \times \mathbf{A} A × B = − B × A )। পরস্পর সমান্তরাল হওয়ার শর্ত: A × B = 0 \mathbf{A} \times \mathbf{B} = 0 A × B = 0 সমান্তরাল হওয়ার গাণিতিক শর্ত: A x B x = A y B y = A z B z \frac{A_x}{B_x} = \frac{A_y}{B_y} = \frac{A_z}{B_z} B x A x = B y A y = B z A z ক্ষেত্রফল নির্ণয়: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল (সন্নিহিত বাহু) = ∣ A × B ∣ |\mathbf{A} \times \mathbf{B}| ∣ A × B ∣ সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল (কর্ণদ্বয়) = 1 2 ∣ d 1 × d 2 ∣ \frac{1}{2}|\mathbf{d_1} \times \mathbf{d_2}| 2 1 ∣ d 1 × d 2 ∣ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = 1 2 ∣ A × B ∣ \frac{1}{2}|\mathbf{A} \times \mathbf{B}| 2 1 ∣ A × B ∣ ভেক্টরের বাস্তব প্রয়োগ: বৃষ্টি, নৌকা ও লন রোলার লন রোলার: লন রোলারকে ঠেলার চেয়ে টানা সহজ। ঠেলার সময় আপাত ওজন: W = m g + F s i n ( t h e t a ) W = mg + F\\sin(\\theta) W = m g + F s in ( t h e t a ) টানার সময় আপাত ওজন: W = m g − F s i n ( t h e t a ) W = mg - F\\sin(\\theta) W = m g − F s in ( t h e t a ) বৃষ্টি ও ছাতা ধরা: উলম্বের সাথে ছাতা ধরার কোণ t a n ( t h e t a ) = f r a c t e x t M a n ′ s V e l o c i t y t e x t R a i n ′ s V e l o c i t y \\tan(\\theta) = \\frac{\\text{Man's Velocity}}{\\text{Rain's Velocity}} t an ( t h e t a ) = f r a c t e x t M a n ′ s V e l oc i t y t e x t R ai n ′ s V e l oc i t y গাড়ির ক্ষেত্রে: বায়ু ও গাড়ির বেগের লব্ধির ওপর ভিত্তি করে সামনের বা পেছনের কাঁচ ভেজা নির্ভর করে। নদী পারাপার: ন্যূনতম সময়ে পার হতে যাত্রা করতে হবে প্রস্থ বরাবর অর্থাৎ \\alpha = 90^\\circ কোণে। সোজাসুজি বা আড়াআড়ি পারাপারের জন্য যাত্রার কোণ cos − 1 ( − u v ) \cos^{-1}(-\frac{u}{v}) cos − 1 ( − v u ) যেখানে u u u স্রোতের বেগ এবং v v v নৌকার বেগ। গাণিতিক সমস্যাবলি ও সমাধান বিশ্লেষণ সমস্যা ১: ( 1 , − 1 , 1 ) (1, -1, 1) ( 1 , − 1 , 1 ) অবস্থানে A = 3 x y z 3 h a t i + 2 x y 2 h a t j − x 3 y 2 z h a t k \mathbf{A} = 3xyz^3\\hat{i} + 2xy^2\\hat{j} - x^3y^2z\\hat{k} A = 3 x y z 3 ha t i + 2 x y 2 ha t j − x 3 y 2 z ha t k এর ডাইভারজেন্স কত? সমাধান: ∇ ⋅ A = 3 y z 3 + 4 x y − x 3 y 2 \nabla \cdot \mathbf{A} = 3yz^3 + 4xy - x^3y^2 ∇ ⋅ A = 3 y z 3 + 4 x y − x 3 y 2 মান বসিয়ে: 3 ( − 1 ) ( 1 ) 3 + 4 ( 1 ) ( − 1 ) − ( 1 ) 3 ( − 1 ) 2 = − 3 − 4 − 1 = − 8 3(-1)(1)^3 + 4(1)(-1) - (1)^3(-1)^2 = -3 - 4 - 1 = -8 3 ( − 1 ) ( 1 ) 3 + 4 ( 1 ) ( − 1 ) − ( 1 ) 3 ( − 1 ) 2 = − 3 − 4 − 1 = − 8 সমস্যা ২: দুটি বলের লব্ধির সর্বোচ্চ মান 14 N 14\,N 14 N এবং সর্বনিম্ন মান 2 N 2\,N 2 N । বল দুটি লম্বভাবে কাজ করলে লব্ধি কত? সমাধান: P + Q = 14 , P − Q = 2 i m p l i e s P = 8 N , Q = 6 N P+Q=14, P-Q=2 \\implies P=8\,N, Q=6\,N P + Q = 14 , P − Q = 2 im pl i es P = 8 N , Q = 6 N লম্ব লব্ধি R p e r = 8 2 + 6 2 = 10 N R_{per} = \sqrt{8^2 + 6^2} = 10\,N R p er = 8 2 + 6 2 = 10 N সমস্যা ৩: A = 2 h a t i + 2 h a t j − h a t k \mathbf{A} = 2\\hat{i} + 2\\hat{j} - \\hat{k} A = 2 ha t i + 2 ha t j − ha t k এবং B = a h a t i + h a t j \mathbf{B} = a\\hat{i} + \\hat{j} B = a ha t i + ha t j পরস্পর লম্ব হলে a a a এর মান কত?সমাধান: m a t h b f A ⋅ B = 2 a + 2 + 0 = 0 i m p l i e s a = − 1 \\mathbf{A} \cdot \mathbf{B} = 2a + 2 + 0 = 0 \\implies a = -1 ma t hb f A ⋅ B = 2 a + 2 + 0 = 0 im pl i es a = − 1